About Me

জে. মোশাররফ বিদেশে ৪০ কোটি রুপির ফ্ল্যাট কীভাবে কিনলেন?

ইসলামাবাদ, ১০ সেপ্টেম্বর- পাকিস্তানের সাবেক একনায়ক জেনারেল পারভেজ মোশাররফ ২০০৯ সালের ১৩ মে লন্ডনের হাইড পার্ক ক্রিসেন্ট এলাকায় ১৩ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ডে একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন। পাকিস্তানি রুপিতে তখন এর মূল্য ছিল প্রায় ২০ কোটি রুপি। প্রায় একই সময়ে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে সুউচ্চ সাউথ রিজ টাওয়ার-এ একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন যার মূল্য তখন ছিল ২০ কোটি রুপিরও বেশি। পাকিস্তানের দি নিউজ পত্রিকায় আহমদ নূরানী এক নিবন্ধে এই তথ্য প্রকাশ করেন ২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল। নিবন্ধটিতে লেখক প্রশ্ন তোলেন, সেনাপ্রধান পদ থেকে অবসর নেওয়ার সময় তো মোশাররফ বেনিফিট পেয়েছিলেন ২ কোটি রুপি। তাহলে ৪০ কোটি রুপি খরচ করে বিদেশে দুদুটি ফ্ল্যাট খরিদ করা তাঁর পক্ষে কীভাবে সম্ভব হলো? ক্ষমতায় থাকতে মোশাররফ অল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এপিএমএল) নামে দল গঠন করেছিলেন। ২০১৩ সালের নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্রও দাখিল করেন। সে সময় নির্বাচন কমিশনে সম্পদের বিবরণীতে মোশাররফ জানান, ২০০২ সালে তিনি আর্মি সার্ভিস বিক্রি করায় তাকে বাহাওয়ালপুরে ৫০ একর জমি দেওয়া হয়। এই জমি ও অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির কোনোটিই তিনি ২০০৯ সালে পাকিস্তান ছেড়ে যাওয়ার সময় বিক্রি করেননি। আরও পড়ুন: ধর্ম অবমাননার দায়ে পাকিস্তানে খ্রিস্টান যুবকের মৃত্যুদণ্ড তাহলে ৪০ কোটি রুপি মোশাররফ কোথায় পেলেন?- প্রশ্ন করে দি নিউজ। জবাবে এপিএমএল দলের প্রধান সমন্বয়ক আহমেদ রেজা কাসুরি বলেন, আন্তর্জাতিক ফোরাম এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিয়ে যারা প্রচুর রোজগার করেন তাদের অন্যতম মোশাররফ। কিন্তু দি নিউজ বলছে, ইন্টারন্যাশনাল লেকচার বাবদ মোশাররফের আয় শুরু হয় ২০১০ সালে। ২০০৯ সালের জুলাইতে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়- মোশাররফ ক্ষমতা জবরদখলকারী; তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। অনেকের ধারণা, এই রায়ের কারণেই নির্বাচন কমিশন তাকে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করে ২০১৩ সালে। প্রকৃত কারণ হলো, ব্যাংকে যে বিপুল পরিমাণ টাকা এবং স্থাবর সম্পত্তি, সেগুলোর জন্য মোশাররফ কোনো ট্যাক্স না দেওয়ায় তাকে নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়। সূত্র : বিডি প্রতিদিন এম এন / ১০ সেপ্টেম্বর

from First Bangla interactive newspaper - Deshe Bideshe https://ift.tt/2Rikq8l

Post a Comment

0 Comments