ওয়াশিংটন, ২২ সেপ্টেম্বর- করোনা আতঙ্ক শেষ না হতেই এবার যুক্তরাষ্ট্রে দেখা দিতে যাচ্ছে টুইনডেমিক আতঙ্ক। এজন্য মার্কিন চিকিৎসকরা লোকজনকে ইনফ্লুয়েঞ্জার আগাম ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ঠেকাতে ফ্লুর ভ্যাকসিন কাজ দেবে না বলেও জানিয়েছেন তারা। চিকিৎসকরা বলছেন, সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো, কোভিড-১৯ এবং ফ্লুর উপসর্গ প্রায় একই রকম। রোগীর শরীরে উপসর্গ দেখে কী হয়েছে তা বলা বেশ কঠিন। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লু সিজনও বলা হয়। অর্থাৎ ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে দেখা দেয় জ্বর-ঠাণ্ডা-কাশির মতো প্রকোপ। কোভিড-১৯ এর কারণে নাজেহাল দেশটির অবস্থা। ভাইরাসের কারণে এপর্যন্ত দুই লাখ চার হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। এর সঙ্গে আবার ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লুর প্রকোপের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। এই পরিস্থিতিকে তারা বলছেন, টুইনডেমিক সিচুয়েশন। সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষ বলতে পারছেন না, কিসের অসুস্থতা। দুই রোগেরই সাধারণ উপসর্গ হলো জ্বর, সর্দি-কাশি, ঠাণ্ডা লাগা এবং শ্বাস নিতে কষ্ট। তবে পার্থক্য-কোভিডে গন্ধ, স্বাদের মতো অনুভূতি চলে যায়। আবার ফ্লু-তেও অনেক সময় ঠাণ্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যায়, জিভের স্বাদ চলে যায়। তাই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত রোগ নির্ণয় করা বেশ মুশকিল। আবার ফ্লু এবং কোভিড-১৯ রোগ দুটি একসঙ্গে হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। আরও পড়ুন-ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ফের যৌন হয়রানির অভিযোগ জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক ব্যাধি বিভাগের পরিচালক গ্যারি সাইমন বলেন, বছরটা ভয়ানক কঠিন হতে চলেছে। হয় ফ্লু, না হলে করোনা। তবে আশ্বস্ত করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার থেকে ইনফ্লুয়েঞ্জা সামলানো তুলনামূলক সহজ। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসে সংক্রমিত হলে এক থেকে চার দিনের মধ্যেই উপসর্গ দেখা দেয়। রোগ দ্রুত ধরা পড়লে, দ্রুত চিকিৎসা সম্ভব। জন্স হপকিন্স হাসপাতালের সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ অ্যারন মিলস্টোন লোকজনকে সতর্ক করে বলছেন, প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাবধানী হোন। অসুস্থ মনে হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সূত্র: রাইজিংবিডি এমএ/ ২২ সেপ্টেম্বর
from First Bangla interactive newspaper - Deshe Bideshe https://ift.tt/3cjUWkI
0 Comments